সুসংগঠিত সুশৃঙ্খল কোম্পানী ডেসটিনির মহানায়ক ড. রফিকুল আমিন মুক্তির দাবি_khulnatv

সুসংগঠিত সুশৃঙ্খল কোম্পানী ডেসটিনির মহানায়ক “ড. রফিকুল আমিনের” মুক্তির দাবি !

বাংলাদেশ

সুসংগঠিত সুশৃঙ্খল কোম্পানী ডেসটিনির মহানায়ক “ড. রফিকুল আমিনের” মুক্তির দাবি !

পৃথিবীর ইতিহাসে এমনি একটি কোম্পানি ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড যার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে বাংলার অসহায়, বেকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হতে থাকে , পরিবর্তন হতে থাকে মানুষের হতাশার চিহ্ন , তারা স্বপ্ন দেখতে থাকে নিজিদের ভাগ্য নিজেরাই পরিবর্তন করতে , তারা হয়ে উঠে এক এক জন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগ কারী। আর এই স্বপ্ন দেখতে শেখায় এক জন ব্যাক্তি সে আর কেউ নই লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের কর্ণধার ড. রফিকুল আমিন।

এই কোম্পানির প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় উন্নতির মাত্রা বাড়তে থাকে বাড়তে থাকে মানুষের জীবনযাত্রারমান ফলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নতি হতে থাকে এবং দেশের প্রতিটি পর্যায়ে এই কোম্পানি সরকারের ও সমাজের বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে ভূমিকা রাখে।

ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের কিছু উন্নয়নের কর্মকান্ডের চিত্র :

ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিট ২০১২: 
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ৩ দিন ব্যাপী প্রথম বিশ্ব বিপণন সম্মেলনের ডায়মন্ড পার্টনার ছিল ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. দীপু মনি আনুষ্ঠানিক বক্তৃতার মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন । জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার(আঙ্কটাড) মহাসচিব সুপাচাই পানিচপাকদি, ড. ফিলিপ কোটলার সহ শতাধিক আর্ন্তজাতিক বিপণন বিশেষজ্ঞ বক্তা এবং ৪০০০ এর অধিক বিশেষজ্ঞ এতে অংশগ্রহণ করেন।

বিপিএল ২০১২: বিপিএল এর প্রথম আসর “ডেসটিনি-বৈশাখী বিপিএল এর টাইটেল পৃষ্ঠপোষক ছিল ডেসটিনি গ্রুপ এবং প্রতিষ্ঠানটি এই ধারা চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যাক্ত করেছিল।

এনসিএল টি-টোয়েন্টি
জাতীয় ক্রিকেট লীগের নতুন সংস্করণ এনসিএল টি-টোয়েন্টির প্রথম আসরের টাইটেল পৃষ্ঠপোষক ছিল ডেসটিনি গ্রুপ এবং উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। বাংলাদেশী ঘরোয়া ক্রিকেটে এটাই ছিল সবচেয়ে বড় বাজেটের টুর্নামেন্ট।

বৈশাখী টিভি
বাংলাদেশের শীর্ষ বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল “বৈশাখী টিভির” সত্ত্বাধীকারী ডেসটিনি গ্রুপ এবং চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমিন

দৈনিক ডেসটিনি
বাংলাদেশী দৈনিক “দৈনিক ডেসটিনি” এর সত্ত্বাধীকারী ডেসটিনি গ্রুপ এবং প্রকাশক,সম্পাদক রফিকুল আমিন।

কর-শুল্ক
১২ বছরে সরকারী কোষাগারে ভ্যাট-ট্যাক্স বাবদ ৪১০ কোটি টাকা প্রদান করেছে এবং রাজস্ব বিভাগে এর প্রমান রয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি দাবী করেছে।

কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা
বিভিন্ন স্থাবর,অস্থাবর সম্পদ ক্রয় ,কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সদস্যদের ঋণ বাবদ ১১৮৩ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল ।

অনুদান দুর্যোগ আশ্রয় কেন্দ্র
বাগেরহাট শরণখোলায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬ তলা বিশিষ্ট তৎকালীন দেশের সর্ববৃহৎ দুর্যোগ আশ্রয় কেন্দ্র তৈরি করেছিল এবং আরও ২টি নির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

সঙ্কট
২০১০ সালের নিমতলি অগ্নিকাণ্ড (১১৯ জন নিহত) ও ২০১১ সালের মিরসরাই দুর্ঘটনা (৪৫ জন শিক্ষার্থী) আক্রান্ত পরিবারকে প্রতিষ্ঠানটি অনুদান দিয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা যাদুঘর
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণে ৩ কোটি ৩ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এই নয়তালা ভবনটির উদ্ভোধন করেন।

শিক্ষাবৃত্তি
ডেসটিনি এডুকেশন এন্ড হেলথ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় শিক্ষাবৃত্তি ২০১১ অনুষ্ঠানে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ডেসটিনি গ্রুপের পক্ষ থেকে অনুদান প্রদান করেন ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

আবু নাসের আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতা
শেখ আবু নাসের স্মরণে , ৭ দিন ব্যাপী শেখ আবু নাসের স্মৃতি ১ম আর্ন্তজাতিক রেটিং দাবা প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষক ছিল ডেসটিনি গ্রুপ বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের দাবারুরা অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ রণদেব দাস গুপ্তা ও আন্তর্জাতিক দাবা বিচারক হারুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

আর্থিক লেনদেন:
১. প্রতিষ্ঠানটি  ২০০০ থেকে মে ২০১২ পর্যন্ত তারা ৫১২১ কোটি টাকা সংগ্রহ এবং ৫১০৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল।

২. পণ্য আমদানিতে ১৪২ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল এবং ব্যাংকের এলসিতে এর প্রমান রয়েছে ।
৩. ১২ বছরে সরকারী কোষাগারে ভ্যাট-ট্যাক্স বাবদ ৪১০ কোটি টাকা প্রদান করেছে এবং রাজস্ব বিভাগে এর প্রমান রয়েছে।
৪. সদস্য কর্তৃক পণ্য বিক্রয়ে তাদেরকে ১৪৫৬ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিয়েছিল যা সদস্য চিহ্নিতকরণ স্বয়ংক্রিয় সার্ভারে যাচাইযোগ্য ।
৫. স্থানীয় পণ্য ক্রয় ও উৎপাদন ব্যয় ২৮৭ কোটি টাকা হয়েছিল ।
৬. শেয়ারহোল্ডারদের ২৪১ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিয়েছিল যা শেয়ারহোল্ডার চিহ্নিতকরণ স্বয়ংক্রিয় সার্ভারে যাচাইযোগ্য ।
৭. ১২ বছরে বেতন , ভাতা ও প্রশাসনিক খাতে ৪৩৭ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল  প্রতিষ্ঠানটি ।
৮. সমবায় সমিতিতে আমানতকারীদের ২৬ কোটি টাকা মুনাফা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি ।
৯. বৃক্ষরোপণ খাতে ২২৩ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল প্রতিষ্ঠানটি ।
১০. বিভিন্ন স্থাবর,অস্থাবর সম্পদ ক্রয় ,কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সদস্যদের ঋণ বাবদ ১১৮৩ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল ।

এছাড়া ১০ ডিসেম্বর ২০১২ , আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কনভেনশন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল (বামাকা) পুরস্কার পেয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ডেসটিনির ২০০০ লিমিটেডের মহানায়ক ড. রফিকুল আমিন। যার জন্য বাংলাদশের আর্থসামাজিক পরিবর্তন শুরু হল পরিবর্তন হতে থাকলো দেশের বেকারত্বের সব মানুষ পেতে থাকলো কর্মসংস্থান এবং দেশের বিভিন্ন জাতীয় সমস্যা কে মোকাবেলা করার পথ খুলে দিল যে মানুষটি খুবই অল্প সময়ে দেশ বিদেশের জনপ্রিয় ব্যাক্তিতে খ্যাতি অর্জন করলো খুবই অল্প সময়ে সেই ব্যাক্তি ও তার কোম্পানি ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড যদি আজ মুক্ত থাকতো এবং ডেসটিনির সব কার্যক্রম চালু থাকতো তা হলে হয়তো আজ দেশের উন্নয়ণ চিত্র দ্বিগুন থেকে দিগান্তর হত। আর সেই মানুষটি হলো দেশের ২.৫ কোটি মানুষের প্রাণ পুরুষ মহানায়ক ড. রফিকুল আমিন। আজ এই মানুষটা দীর্ঘ ৬ বৎসর বিনা বিচারে জেল খাটছে এবং ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের সব কার্যক্রম বন্ধ করে রাখা হয়েছে ।

ফলে এই কোম্পানির ৪০ লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটার কর্ম বঞ্চিত এবং প্রায় ২.৫ কোটি মানুষের ভাগ্য আজ অনিচ্শিত। শুধু মাত্র ঈর্ষা হয়ে কিছু হলুদ মিডিয়া আর দেশের বিরোধী কিছু শক্তি কোম্পানির উন্নতি আর মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন সহ্য করতে না পেরে ষড়যন্ত্র শুরু করে।

আজ তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে মানবিক দাবি করেছেন ডেসটিনির ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো : রফিকুল আমিন ও মোহাম্মদ হুসাইনের নিঃশর্ত মুক্তি সহ ডেসটিনির সকল ব্যাঙ্ক একাউন্ট ও সমস্ত কার্যক্রম খুলে দিয়ে তাদের মানবতার জীবন থেকে মুক্তি পেতে চাই। ৪০ লক্ষ ক্রেতা ও পরিবেশক ডিস্ট্রিবিউটার এর প্রায় ২.৫ কোটি মানুষ আজ বাঁচতে চাই।

স্টাফ রিপোর্টার : সাব্বির হোসেন

খুলনা টিভি।

 

 

Tagged

Leave a Reply