Hotel vangchur_khulna tv

চুয়াডাঙ্গায় হোটেলের বাকী টাকা নিয়ে কাস্টমারের সঙ্গে দন্দ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শাটারে কোপ ও ভাঙচুর

খুলনা বিভাগ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গায় হোটেলে বাকীতে খাবার খাওয়ার টাকা চাওয়া নিয়ে কাস্টমারের সঙ্গে দন্দে হোটলের সাটারে কোপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সাতভাই পুকুর পাড়ের সুন্দরবন হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক কিশোরকে আটক করে ও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে একটি দেশীয় অস্ত্র। আটক কিশোর সাত ভাইপুকুর পাড়ের সাঈদ আলম মানুর ছেলে ইব্রাহিম খলিল আদর (১৬)।


জানা যায়, শনিবার রাত নয়টার দিকে সাতভাই পুকুরপাড়ের সুন্দর হোটেলে বাকীতে খাবার খেতে যায় একই এলাকার মৃত মিসকিন আলীর ছেলে সাউদ আলম মানু (৪৫)। এসময় হোটেল মালিক রফিকুল ইসলাম জেমস্ সাউদ আলম মানুকে পূর্বের টাকা পরিশোধ করে দিতে বলে। পূর্বের বাকী টাকা পরিশোধ না করলে সে আর বাকীতে খাবার দেবে না বললে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এসময় হোটেল মালিক মানুকে হোটেল থেকে বের করে দেয়।

পরে হোটেল বন্ধ করে রফিকুল ইসলাম জেমস্ বাড়ির মধ্যে চলে গেলে রাত ১১টার দিকে মানু ও তাঁর ছেলে আদরসহ কয়েকজন সুন্দরবনহোটেলের সাটারে দা দিয়ে কোপ দেয় ও সিসি টিভি ক্যামেরাসহ বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সদর থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত হলে তারা পালিয়ে যায়। তবে পালানোর সময় পুলিশ মানুর ছেলে আদরকে আটক করে। এসময় পুকুরের পাড় থেকে একটি বড় দা উদ্ধার করে।

হোটেল মালিক রফিকুল ইসলাম জেমস বলেন, ‘গত রোজার মাস থেকে মানু আমার হোটেলে বাকীতে খাবার খায়। একই এলাকায় বাড়ি হওয়ায় আমি বাকীতে খাবার দিই। কিন্তু সে কোন টাকা দেয় না। বেশ কিছু দিন পূর্বে ৫ হাজার টাকা দিয়েছে। কিন্তু এখনও ২৪ হাজার টাকা পাবো। আজ রাতে আবার হোটেলে এসে বাকীতে খাবার দিতে বলে। আমি পূর্বের টাকা পরিশোধ করতে বলি। এসময় মানু খারাপ আচরণ শুরু করলে আমি ওকে হোটেল থেকে বাইরে চলে যেতে বলি। সে চলে যায়। কিন্তু রাত ১১টার দিকে আমার বাড়ির কাঁচ ভাঙার শব্দ শুনতে পায়। এসময় মানুসহ আরও কয়েকজন আমাকে বাইরে থেকে গালি গালাজ করছিলো। আমি পুলিশে খবর দিলে পুলিশ হোটেলের সামনে চলে আসে। পরে বাইরে বের হয়ে দেখি জানালার কাঁচ, হোটেলের শাটারে কো ও সিটি টিভি ক্যামেরা দুইটা ভেঙে দিয়ে গেছে ওরা।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গায় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ খকরুল আলম খান বলেন, ‘হোটলে খাবার খাওয়া ও বাকীর টাকা চাওয়া নিয়ে হোটেল মালিকের সঙ্গে ও কাস্টমারের মধ্যে বিরোধের জের ধরে হোটলের শাটারে দা দিয়ে কোপ ও সিসি টিভি ক্যামেরা ও বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙচুরে ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এক কিশোর আটক ও একটি দেশীয় বড় দা উদ্ধার করেছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইমানূগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tagged

Leave a Reply