ইসলামে হারাম উপার্জন বর্জন করা ফরজ_khulna tv

ইসলামে হারাম উপার্জন বর্জন করা ফরজ!

ধর্ম ও জীবন

ইসলামে হারাম উপার্জন বর্জন করা ফরজ!

জুয়া অনেকের সাময়িক বদঅভ্যাস হলেও অনেকে আবার এটিকে পেশা হিসেবেও নিয়ে থাকে। পেশা বা নেশা যাই হোক জুয়ার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা সম্পূর্ণ হারাম। কারণ আল্লাহপাক বলেন, ‘হে  মোমিনরা, নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, প্রতিমা বেদি এবং ভাগ্যনির্ধারক তির এসব শয়তানের অপবিত্র কাজ। অতএব এগুলো থেকে বেঁচে থাক।’ (সূরা মায়েদা : ৯০)

জীবিকা নির্বাহের জন্য যেমন উপার্জন অপরিহার্য, তেমনি উপার্জনের জন্য হালাল পথ ও পাথেয় অবলম্বন এবং হারাম পথ ও পাথেয় বর্জন অপরিহার্য। মহান আল্লাহপাক বলেন, ‘হে মানবম-লী, তোমরা পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রী থেকে ভক্ষণ করো আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ (সূরা বাকারা : ১৬৮)।

আলোচ্য আয়াতে হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রীকে জীবিকা নির্বাহের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। আর যখন হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রীকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে তখন স্বভাবতই এগুলোর বিপরীতে হারাম ও অপবিত্র বস্তু-সামগ্রী বাতিল হয়ে গেছে।

অন্য আয়াতে এসেছে, ‘তিনি রাসুল (সা.) অপবিত্র বস্তুগুলো হারাম করেছেন।’ (সূরা আরাফ : ১৫৭)।
হারাম উপার্জন বর্জনের ব্যাপারে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যা হারাম তা বর্জন করো।’ (ইবনে মাজাহ)।
শুধু তাই নয়, সন্দেহযুক্ত হালাল বর্জন করার নির্দেশনাও ইসলামে দেওয়া হয়েছে। কারণ তা না করলে অনেক সময় হারামে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এ ব্যাপারে বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, ‘সন্দেহযুক্ত বস্তু বর্জন করো।’ (তিরমিজি, আবু দাউদ, নাসায়ি, আহমদ)।

উপার্জনের ক্ষেত্রে কিছু পথ, মাধ্যম বা পেশা আছে যেগুলো সরাসরি হারাম। (এসব মাধ্যমে হালাল সামগ্রী সংগ্রহ করলেও তা হালাল হয় না) যেমন  চুরি বা চোরাচালানি, ডাকাতি, ছিনতাই, জুয়া, মাদক ব্যবসা, আদম পাচার, অশ্লীল সিনেমার ব্যবসা ও দেহ ব্যবসা ইত্যাদি। এসব মাধ্যমে উপার্জন করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই ইত্যাদি মাধ্যমে উপার্জন থেকে বিরত থাকার জন্য ইসলামে বিভিন্নভাবে সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যেমন আল্লাহপাক বলেন, ‘তোমরা একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না।’ (সূরা নিসা : ২৯)। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা জুলুম করবে না। সাবধান, স্বতঃস্ফূর্ত অনুমতি ছাড়া অন্যের সম্পদ (নিজের করে নেওয়া) হালাল নয়।’ (মেশকাত, বায়হাকি, দারে কুতনি)। নবী (সা.) আরও বলেছেন, ‘যখন কোনো ব্যক্তি কোনো মূল্যবান বস্তু ছিনিয়ে নেয়। আর লোকেরা (আশপাশের) তার দিকে চোখ তুলে দেখতে থাকে, তখন সে (ছিনতাইকারী) মোমিন থাকে না।’ (মুসলিম)। চাঁদাবাজি, তোলাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলদারি করেও অনেকে উপার্জন করে থাকে। ইসলামে এগুলোকেও হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, ‘ওহে মানবম-লী! তোমাদের রক্ত, বিত্ত-সম্পদ ও ইজ্জত পরস্পরের জন্য চিরস্থায়ীভাবে হারাম করা হলো।’ (বোখারি ও মুসলিম)।

চাঁদাবাজির ব্যাপারে বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, ‘অবৈধ চাঁদা আদায়কারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ (আবু দাউদ)।
আত্মসাৎ বা জবরদখলের ভয়াবহ পরিণতির ব্যাপারে নবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কারও এক বিঘত জমি জবর দখল করেছে, কেয়ামতের দিন তার গলায় সাত তবক জমি বেড়িরূপে পরিয়ে দেওয়া হবে।’ (বোখারি)।

তিনি আরও বলেছেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে নিঃস্ব তো সে ব্যক্তি, যে কেয়ামতের দিন নামাজ, রোজা ও জাকাতের (নেকি) নিয়ে হাজির হবে। কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে সে এ অবস্থায় আসবে যে, সে কাউকে গালি দিয়েছে, কারও প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করেছে, কারও মাল (অবৈধভাবে) ভক্ষণ করেছে, কারও রক্তপাত করেছে এবং কাউকে মেরেছে। অতঃপর অত্যাচারিত ব্যক্তিকে তার নেকি দিয়ে দেওয়া হবে, পরিশেষে যদি তার নেকিগুলো অন্যদের দাবি পূরণ করার আগেই শেষ হয়ে যায়, তাহলে তাদের পাপরাশি নিয়ে তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’ (মুসলিম)। রাসুল (সা.) অন্য হাদিসে আরও এরশাদ করেন, ‘যে লোক নিজের শপথ দ্বারা কোনো মুসলমানকে বৈধ অধিকার থেকে বঞ্চিত করে, আল্লাহ তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত এবং জান্নাত হারাম করে দেন।’ এক ব্যক্তি আরজ করল, ইয়া রাসুলুল্লাহু! তা যদি খুবই সামান্য বিষয় হয়? তিনি বলেন, ‘যদি একটা গাছের কাটা ডালও হয় তবুও।’ (মুসলিম, নাসায়ি)।

অবৈধ মজুতদারি করে উপার্জন করা হারাম। এ ব্যাপারে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একমাত্র পাপীই মজুতদারি করে।’ (বোখারি)।
তিনি আরও বলেছেন, ‘দাম বেশি হওয়ার আশায় যে ব্যক্তি ৪০ দিন যাবত মাল মজুত রাখে, সে যদি তার সব মাল দান করে দেয়, তবু তার পাপের ক্ষমা হবে না।’ (মিশকাত)।
জুয়া অনেকের সাময়িক বদঅভ্যাস হলেও অনেকে আবার এটিকে পেশা হিসেবেও নিয়ে থাকে। পেশা বা নেশা যাই হোক জুয়ার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা সম্পূর্ণ হারাম। কারণ আল্লাহপাক বলেন, ‘হে মোমিন, নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, প্রতিমা বেদি এবং ভাগ্যনির্ধারক তির  এসব শয়তানের অপবিত্র কাজ। অতএব এগুলো থেকে বেঁচে থাক।’ (সূরা মায়েদা : ৯০)।
সুদের ব্যবসা বা কারবারি করে তথা অনেকে ব্যক্তিগতভাবে, অনেকে সমিতি বা সংগঠনের মাধ্যমে, আবার অনেকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুদ মারফত উপার্জন করে থাকে। যে প্রক্রিয়ায়ই হোক এটি হারাম। আল্লাহপাক বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।’ (সূরা বাকারা : ২৭৫)। আল্লাহপাক অন্য আয়াতে বলেন, ‘হে মোমিনরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যা বকেয়া আছে তা ত্যাগ কর, যদি তোমরা মোমিন হও। আর যদি ত্যাগ না কর তবে আল্লাহ ও রাসুলের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা শুনে নাও।’ (সূরা বাকারা : ২৭৮-২৭৯)।

অপরপক্ষে, সব স্বাভাবিক পথ, মাধ্যম বা পেশা তথা কৃষি বা কৃষিজাত কর্ম, শ্রম কর্ম, ব্যবসাবাণিজ্য ও চাকরি ইত্যাদির মাধ্যমে উপার্জন করা বৈধ। কিন্তু নানাবিধ কারণে এসব ক্ষেত্র থেকেও হারাম অর্থ উপার্জিত হয়ে থাকে। যেমন, কৃষিকাজ একটি হালাল মাধ্যম কিন্তু কৃষিজীবীদের মধ্যে অনেক কৃষক আছেন যারা অন্যের জমির আইল ঠেলেন। আর এটি অত্যন্ত গর্হিত কাজ। মুসনাদে আহমাদ ও তাবারানির বর্ণনা অনুযায়ী যে কৃষক জমির আইল ঠেলে যে অংশটুকু ভোগ করবে (তা যত সামান্যই হোক) কেয়ামতের দিন তাকে সে অংশটুকু কাঁধে বহন করে উঠতে হবে।

অনেকে উৎপাদিত ফসল জমিতে বা বাজারে নিয়ে বিক্রির সময় ওজনে কম দেন। অনেকে বস্তা বা বড় প্যাকেটের নিচের দিকে অর্ধপচা বা খারাপ দ্রব্য দেন এবং দাম নেওয়ার সময় ভালো দ্রব্যের হার অনুযায়ী ওই পচা বা খারাপ অংশটুকুরও সমান দাম নেন যা নিষিদ্ধ।

গ্রামের কৃষক পরিবারগুলোতে (কমবেশি) পশুপাখি পালন করা হয়। অনেকে এ ক্ষেত্রেও অবৈধ উপায়ের আশ্রয় নেয়। কেউ কেউ অল্প সময়ের মধ্যে বাড়তি টাকা আয়ের জন্য কৃত্রিম ও অবৈধ উপায়ে পশুকে মোটাতাজা করে বিক্রি করে। যারা গাভি পালন করেন তাদের মধ্যে অনেকেই সে গাভির দুধে পানি মিশিয়ে বিক্রি করে আয় করেন যা বৈধ নয়। মোটকথা, এসব কারণে হয়তো মোট উপার্জন হারাম হয় না কিন্তু নির্দিষ্ট অংশ তো হারাম হয়ই। আর ওই অংশটুকুই পরিত্যাগ করা আবশ্যক।

ব্যবসা বাণিজ্য একটি হালাল মাধ্যম। কিন্তু জেনে-শুনে সত্যকে গোপন করে এবং সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে গুলিয়ে বা মিশিয়ে তথা ব্যবসায়িক পণ্যের যে-কোনো ত্রুটি গোপন করে বা পণ্যে ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করা হারাম। এ ব্যাপারে আল্লাহর নিষেধাজ্ঞা হলো, ‘তোমরা সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে গুলিয়ে দিও না এবং তোমরা জেনে-শুনে সত্যকে গোপন করো না।’ (সূরা বাকারা : ৪২)। হাদিসে এসেছে ‘রাসুল (সা.) প্রতারণামূলক বেচাকেনাকে নিষিদ্ধ করেছেন।’ (মুসনাদে আবু হানিফা)। এ ব্যাপারে রাসুল (সা.) আরও বলেছেন, ‘জেনেশুনে কোনো ত্রুটিযুক্ত পণ্য বিক্রি করা কারও জন্য বৈধ নয়, যতক্ষণ না ক্রেতাকে ওই ত্রুটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।’ (বোখারি)। রাসুল (সা.) প্রতারণামূলক ব্যবসাকে শুধু নিষিদ্ধই করেননি বরং যারা এ ধরনের ব্যবসা করবে তারা তার দলের নয় বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে প্রতারণা করে (ব্যবসার ক্ষেত্রে) সে আমাদের দলভুক্ত নয়।’ (মুসলিম, তিরমিজি)। মহানবী (সা.) আরও বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ক্রেতাকে অবহিত না করে দোষযুক্ত পণ্য বিক্রি করে, সে অবিরাম আল্লাহর ক্রোধ ও ফেরেস্তাদের অভিশাপে পতিত থাকবে।’ (ইবনে মাজাহ)।

আবার অনেক ব্যবসায়ী মিথ্যা কথা বলে বা মিথ্যা কসম করে অতিরিক্ত দাম নির্ধারণ করে বাড়তি টাকা আয় করেÑ যা অবৈধ। বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন আল্লাহ তিন ব্যক্তির সঙ্গে কোনো কথা বলবেন না, তাদের প্রতি ভ্রƒক্ষেপ করবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি। তাদের একজন হলো যে তার ব্যবসায়িক পণ্য মিথ্যা কসম খেয়ে বিক্রয় করে।’ (মুসলিম)। তাছাড়া কোনো ব্যবসায়ী যদি ওজন কম দেয় তবে তা হারাম। আল্লাহপাক বলেন, ‘যারা মাপে-ওজনে প্রতারণা করে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। যারা লোকের থেকে নেওয়ার সময় বেশি নেয় এবং যখন অন্যকে দেয় তখন কম দেয়।’ (সূরা মুতাফফিফিন : ১-৩)।
সেসঙ্গে হারাম প্রাণী, পণ্য বা দ্রব্যসহ যে কোনো হারাম বস্তুর ব্যবসা করে উপার্জন করা হারাম। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তার রাসুল মদ, মৃতদেহ, শূকর ও প্রতিমা বেচাকেনাকে হারাম করেছেন। তখন বলা হলো, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আপনি কি মনে করেন, লোকেরা মৃত পশুর চর্বি দ্বারা নৌকায় প্রলেপ দেয়, তা দিয়ে চামড়ায় বার্নিস করে এবং লোকেরা তা চকচকে করার কাজে ব্যবহার করে? তখন তিনি বললেন, ‘না, তা হারাম। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহ তায়ালা ইহুদিদের নিশ্চিহ্ন করে দেন, কারণ মহান আল্লাহ তাদের জন্য চর্বি হারাম করেছেন। অথচ তারা একে গলিয়ে নেয় এবং তা বিক্রি করে ও তার মূল্য ভক্ষণ করে।’ (বোখারি, মুসলিম)। অন্য হাদিসে রাসুল (সা.) আরও বলেছেন, ‘কুকুরের ব্যবসার মূল্য অপবিত্র।’ (মুসনাদে আহমাদ)।

উপার্জনের আরেকটি মাধ্যম হলো চাকরি। চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হলে নির্দিষ্ট শর্তাবলি ও নির্ধারিত বেতন সাপেক্ষে দায়িত্ব অর্পিত হয়। অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা প্রত্যেক দায়িত্বশীলদের জন্য আবশ্যক এবং দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল; আর তোমরা প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। ’(বোখারি)। কিন্তু অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দিষ্ট বেতন নেওয়ার পরও বাড়তি টাকা উপার্জনের জন্য নানাভাবে ঘুষ নেয়। এ ঘুষ শুধু হারামই নয় বরং যারাই ঘুষের লেনদেন করবে তাদের শেষ ঠিকানা হবে জাহান্নাম। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ঘুষদাতা ও ঘুষখোর উভয়েই জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে।’ (তাবারানি)। সঙ্গে অন্যান্য দুর্নীতি তো রয়েছেই।

সর্বোপরি রাজনীতিবিদ, মাঝি, তাঁতি, কামার ও কুমারসহ যে কেউ যদি তার নিজস্ব পেশায় প্রতারণা, চুরি, আত্মসাৎ বা জবরদখল তথা দুর্নীতি করে অর্থ উপার্জন করে তবে অবৈধ অংশটুকু অবশ্যই হারাম ও পরিত্যাজ্য।

শেষ কথা হলো ইসলামে হারাম উপার্জনের কোনো সুযোগ নেই। সর্বসম্মতিক্রমে তা বর্জন করা আবশ্যক বা ফরজ।

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *